Sunday , September 20 2020
শিরোনাম
Home / জাতীয় / আজ পিলখানা হত্যা দিবস,শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন

আজ পিলখানা হত্যা দিবস,শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন

অনলাইন ডেস্কঃ বিডিআর (তৎকালীন) এর কতিপয় সদস্য কর্তৃক সংঘটিত পিলখানা বিদ্রোহে নিরস্ত্র সেনা সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের ৯ম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে। আজ রবিবার সকালে নিহতদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এরপর ১ মিনিট নীরবতা পালন করে শহীদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হয়।

বনানীর সামরিক কবরস্থানে নিহতদের কবরে প্রথমেই রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের পক্ষে তার সহকারী সামরিক সচিব ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী ইফতেখারুল আলম পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে তার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

পুষ্পস্তবক অর্পণ করছেন তিন বাহিনীর প্রধান-ছবি-শাকিল আহমেদস্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, সেনাবাহিনীর প্রধান আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক, নৌবাহিনীর প্রধান এডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ, বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল আবু এসরার, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবুল হোসেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা নিহতদের প্রতি স্যালুট প্রদান করেন। পরে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। এরপর তাদের পরিবারের সদস্যরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। 

 

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ইতিহাসে এক কালো দিন। বিদ্রোহের নামে ২০০৯ সালের এই দিনে রাজধানীর পিলখানায় সেনাবাহিনীর ৫৭ জন চৌকস অফিসারকে হত্যা করা হয়। যাদের মধ্যে বিডিআরের (বর্তমান বিজিবি) তৎকালীন ডিজি মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদও ছিলেন। উচ্ছৃঙ্খল কিছু জওয়ান তৎকালীন ডিজির স্ত্রীসহ সামরিক-বেসামরিক আরো ১৭ জনকে হত্যা করে। সে দিনের তাণ্ডবের কথা মনে উঠলে আজো আঁতকে ওঠেন মানুষ। ভারী অস্ত্রের গোলার শব্দে সে দিন প্রকম্পিত হয়েছিল গোটা রাজধানী। ইতোমধ্যে সেই হত্যাকাণ্ডের বিচার সম্পন্ন হয়েছে। বিদ্রোহের বিচারও সম্পন্ন হয়েছে।

শুধু হত্যাই নয়, অফিসারদের স্ত্রী-সন্তান এবং বাবা-মা ও আত্মীয়স্বজনকে আটকে রেখে নির্মম নির্যাতন চালায় উচ্ছৃঙ্খল জওয়ানরা। কর্মকর্তাদের বাড়ি-গাড়ি, আসবাবপত্র এবং অন্যান্য সম্পদ আগুনে পুড়ে ফেলা হয়। লুটপাট করা হয় কর্মকর্তাদের সম্পদ। সেনাকর্মকর্তাদের শুধু হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি ঘাতকরা। আলামত নষ্ট করতে প্রথমে তাদের লাশগুলো পুড়ে ফেলার চেষ্টা করে তারা। ব্যর্থ হয়ে লাশগুলো মাটিচাপা দেয়। ম্যানহোলের মধ্যে ফেলে দেয়। অস্ত্রাগার লুট করে উচ্ছৃঙ্খল জওয়ানরা সেই অস্ত্র দিয়ে সেনা অফিসারদের হত্যা করে।

স্বাধীন বিডি ২৪/৭৭ম ২৫০২১৮০৩

Check Also

las-uddhar-turag-nodi

তুরাগে নিখোঁজ ছাত্রের লাশ উদ্ধার

গাজীপুরের ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজের নিখোঁজ ছাত্র রুবেল তুরাগে নিখোঁজ ছাত্রের লাশ উদ্ধারহোসেনের (২০) …